
এই হলো সংশোধিত লেখা:
সূরা কাওসার: শাহানশাহে শাহাদত ইমামুল আলী মকাম সাইয়্যিদুশ শোহাদা আলাইহিস সালামের শাহাদাত-দর্শন
রাফি আদনান
আল্লাহ পাকের জন্যই কেবল সমস্ত প্রশংসা, তাসবিহসমূহের পূর্ণ হকদার কেবল তিনিই, যিনি প্রথম নবি সাইয়্যিদুনা আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টির চতুর্দশ সহস্র বছর পূর্বে নবি করিম ﷺ-এঁর নূরকে সৃষ্টি করেছেন, এরপর তাঁকে ‘অনাবিল উত্তম’ জিনিস তথা খায়রে কাছির দ্বারা পরিপূর্ণ করেছেন। তিনি নাযিল করেছেন তাঁর ﷻ মহিমান্বিত কালাম, ধাপে ধাপে, নাম রেখেছেন কুর’আন। তাবৎ ব্রহ্মাণ্ডের জলরাশির সমান বরং তদপেক্ষা অধিক দুরুদের সাজানো বাহারি ডালা পেশ করি আউয়াল-আখিরের সর্বশ্রেষ্ঠ সত্তা নবি করিম রউফুর রহিম ﷺ এবং তাঁর আহলে বায়তে আত্বহারগণের ওপর, যিনি খোদার রশিকে স্বীয় আহলে বায়তের হাতে তুলে দিয়েছেন, যা হাউযে কাওসার পর্যন্ত তাঁদের থেকে পৃথক হবে না। দুরুদের ফয়যান এবং সালামের অনাবিল বারিধারা বর্ষিত হোক সকল আসহাবে রাসুল আলাইহিমুর রিদ্ব’ওয়ানদের ওপর, যারা মূলত আসমানের তারকাসদৃশ থেকে উম্মতে মুহাম্মাদীকে পথ দেখিয়েছেন, যুগের পর যুগ, বছরের পর বছর।
অতঃপর, আল্লাহ পাক দয়া করলেন এবং সূরা কাওসার শরিফের সারনির্যাস হতে ইমামে আলী মকাম সাইয়্যিদুশ শোহাদা সাইয়্যিদুনা আবু আবদুল্লাহ হুসাইন আলাইহিত্তাহিয়্যাতু ওয়াস সালামের আরশচুম্বী মর্যাদায় অধিষ্ঠিত শাহাদাতের দর্শন (Philosophy of the Holy Martyrdom)-এর জ্ঞান আহরণ করতে তাওফিক দান করলেন।
পবিত্র সূরা কাওসারের বাংলা অনুবাদ কানযুল ঈমান গ্রন্থে আলা হযরত আযিমুল বরকত মাওলানা শাহ আহমদ রেযা খান মুহাদ্দিসে বেরেলভী রহ. এভাবে করেছেন:
- (হে আমার মাহবুব ﷺ!) নিশ্চয়ই আমি তোমাকে অসংখ্য গুণাবলি দান করেছি।
- সুতরাং তুমি তোমার রবের জন্য নামায পড়ো এবং কুরবানি করো।
- নিশ্চয়ই যে আপনার শত্রু, সে সকল খায়র/কল্যাণ থেকে বঞ্চিত।
ইমাম আ’লা হযরতের এই সাবলীল তর্জমা জামে’ তথা সর্বাঙ্গীন তাফসিরগুলোকে স্পর্শ করে। আর এটাই আমাদের আলোচ্য বিষয়ের পক্ষে দেদীপ্যমান আলোকবর্তিকাও বটে।
এই সূরার নির্দেশ যেন অনেকটা এরূপ:
- হে মাহবুব ﷺ! নিশ্চয়ই আমি আপনাকে অগণিত মর্যাদা দান করেছি এবং আপনার অধীনে রয়েছে তাবৎ ভালো বিষয়গুলো।
- সুতরাং এসব পেয়ে আপনি আমার (আপনার রবের) উদ্দেশ্যে নামাযের মাধ্যমে শোকরিয়া করুন এবং আপনাকে দেওয়া আমার বিশাল ধনভাণ্ডার এবং সর্বোত্তম জিনিস হতেই কুরবানি করুন।
- নিশ্চয়ই যারা আপনার শত্রু এবং আপনার প্রতি বিদ্বেষ রাখে, তারাই যাবতীয় কল্যাণ হতে বঞ্চিত এবং তারাই আবতার।
আমার মতে এই সূরার তিন অংশে ইমামে আলী মকাম আ.-এর তিনটি দর্শন লুকায়িত।
১ম ভাগে: ইমামে আলী মকাম শাহানশাহে কারবালা আ.-এঁর পবিত্র মাওলিদের এবং সৃষ্টিজগতে তাঁর শাহাদাতের নূর দ্বারা আলোকিত হওয়ার দর্শন। যেখানে আপনি দেখবেন, নূর থেকে নূর আলাদা করা হচ্ছে জগতের কল্যাণে।
২য় ভাগে: ইমামে আলী মকামের শাহাদাত-দর্শন।
৩য় ভাগে: ইমাম পাক আ.-এঁর বিরুদ্ধবাদীদের পরিণামের দর্শন।
এবার সামনে এগিয়ে যাই।
১ম আয়াত: মীলাদে হুসাইনিয়াহ
আমার মতে সূরা কাওসার শরিফের প্রথম আয়াত মীলাদে হুসাইনিয়া বা ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালামের মিলাদের দিকে ইশারা করে।
এই আয়াতে এরশাদ হচ্ছে, হে মাহবুব! আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি। যার অর্থ আলা হযরত করেছেন, নিশ্চয়ই আমি তোমাকে অসংখ্য গুণাবলি দান করেছি।
কাওসারের তাভীল খায়রে কাছির (অনাবিল ঔত্তম্য) যারা করেছেন তাঁদের মধ্যে রইসুল মুফাসসিরীন ইমাম আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস এবং ইমাম যায়দ শহিদ ইবনে যাইনুল আবিদিন আলাইহিমুস সালাম রয়েছেন।
নবি ﷺ-এঁর সিফাত বা গুণাবলি এবং নূরের প্রকাশ হলেন ইমামে আলী মকাম আ.। যেমন হাদিসে এসেছে, ইমাম হুসাইন আ. উপরিভাগে নবি ﷺ-এঁর সদৃশ। তাঁর চাল-চলন মুবারক, মেজাজ শরিফ ইত্যাদি নবিজি ﷺ-এঁর সাথে পুরোপুরি মিলত।
তাই এই আয়াতের তাভীল যেন অনেকটা এরকম যে, হে মাহবুব! আমি আপনাকে অনেক সিফাত দান করেছি, যার প্রকাশের অন্যতম রূপ হল হুসাইন!
অন্যদিকে শামসুল মুফাসসিরীন ইমাম রাযী (৬০৬হি.) তাঁর তাফসিরে, শায়খুল ইসলাম কাযী নাসিরুল হক ওয়াদ দীন বায়যাভী (৬৯১হি.) স্বীয় তাফসিরে, ইমাম শিহাবুল হক ওয়াদ দীন খাফফাজী (১০৬৯হি.) এনায়াতুল কাযী গ্রন্থে এবং বায়যাভীর টীকাকার শেখযদেহ আফেন্দী রহ. (৯৫১হি.) সহ অনেকেই লিখেন, ‘কাওসার’ শব্দের অর্থ আওলাদে আফজালুন্নিসা ফাতেমা আ.।
এই তাভীলের সারমর্ম যেন এই যে, ‘হে মাহবুব! আমি তোমাকে কাওসার দান করেছি’ অর্থাৎ, আমি তোমাকে অগণিত আওলাদ দান করেছি, তথা আমি তোমাকে ‘হুসাইন আ.’ উপহার দিয়েছি — এটি তোমার ‘কাওসার’-এঁর অন্তর্ভুক্ত এবং তোমার নূর থেকে কেটে নেওয়া অংশ।
নূর থেকে কেটে নেওয়া অংশ! কীভাবে?
ইমামে আলী মকাম আ.-এঁর জন্মশুভলগ্নের বর্ণনা হাকিম বিশুদ্ধ সনদে লিখেছেন এভাবে: একদিন হযরত উম্মুল ফযল রা. স্বপ্নে দেখেন নবি করিম ﷺ-এঁর নূরানী শরিরের একটি অংশ কেটে তাঁর (উম্মুল ফযল) কোলে রাখা হল। নবি ﷺ-কে তা জানানো হলে, হুযুর ﷺ স্বীয় নূরের কেটে নেওয়া অংশটুকুকে ইমাম হুসাইন আ. বলে অভিহিত করেন। এরপর আফজালুন্নিসা আ. স্বীয় বীরকেশরি পুত্রকে জন্ম দেন।
প্রথম আয়াতে আল্লাহ বলছেন যে, হে মাহবুব! আপনাকে যে কাওসার দান করেছি তার একটি স্বরূপ হল হুসাইন, যা আপনার নূরেরই অংশ, জগতের জন্য কল্যাণকর এবং ‘মুইনুদ্দীন’-এঁর মতে দ্বীনের আশ্রয়স্থল!
আল্লাহ পাক এই আয়াতে এরশাদ করেছেন, তিনি নবিজিকে কাওসার দান করেছেন। কাওসার দ্বারা আওলাদে ফাতেমা আ. হলে, কাওসারের অর্থ ইমাম হুসাইন আ.-ও হবে। আর আওলাদগণের শুভসংবাদ তথা মীলাদের সংবাদ আল্লাহ পাক এই আয়াতে নবিজি ﷺ-কে দিয়েছেন।
২য় আয়াত: শাহাদাতে ইমাম হুসাইন আ.
এই আয়াতে ইমামে আলী মকাম আ.-এঁর মহান শাহাদাতের দর্শন লুকায়িত রয়েছে।
আল্লাহ পাক নবিজি ﷺ-কে খায়রে কাছির তথা অনাবিল ঔত্তম্য (Abundant Excellence) দান করেছেন। এই উত্তম বিষয়গুলোর মধ্যে সর্বোত্তম শ্রেণিতে রয়েছেন ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম। এরপর আল্লাহ যেন এরূপ নির্দেশ দিচ্ছেন, হে নবি, আপনাকে আমি যে ‘হুসাইন’ দিয়েছি তার জন্য শোকরিয়া আদায় করুন। ইবনুল মুনযার এবং ইবনে আবু হাতেম এই আয়াতে সালাত মানে ‘শোকর’-এর তাভীল গ্রহণ করেছেন। আল্লাহ আরো বলছেন, ‘কাওসার’ পেয়ে আপনি ‘নহর’ করুন, কুরবানি করুন। ইমাম নজমুল হক ওয়াদ দীন কুবরা বলেন, আল্লাহর বাণী ‘নহর’ করুন এর তাভীল হল, হে মাহবুব —
فانحر ذات النفس لقربانك إلى عالم الذات
— আপনি স্বীয় ‘নফস’ তথা সত্তাকে উৎসর্গ (Sacrifice) করুন যেন আপনি আল্লাহর সত্তার নৈকট্য লাভে সক্ষম হন।
আর বিশুদ্ধ হাদিসে রয়েছে, নবি ﷺ ইমামে আলী মকামকে নিজের সত্তার দিকে নিসবত করেছেন এভাবে: ❝হুসাইন তো আমার থেকেই (from me, ঐ যে নূরের কাটা অংশ), আর আমি হুসাইনের মধ্যে (in him)।❞
এই যে, হুযুর নিজেকে ইমামে আলী মকামের মধ্যে একীভূত দেখিয়েছেন, এবং কারবালার ময়দানে তাঁকে কুরবানি হতে দিয়ে ‘ওয়ানহার’-এর ওপর আমল করেছেন, এটাই দ্বিতীয় আয়াতের দর্শন — ‘শাহাদাতে হুসাইনিয়াহ’!
একটি হাদিস উল্লেখ করছি যা আরো স্পষ্ট করবে বিষয়টিকে।
ইমাম ইবনে মাজাহ রহ. স্বীয় সুনানে ৪০৮২ নং হাদিসে উল্লেখ করেছেন, সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমরা যখন নবি ﷺ-এঁর সাথে বসা ছিলাম, তখন হাশেমি বংশীয় কিছু যুবক তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। তাদের দেখতে পেয়ে নবি ﷺ-এঁর চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হলো এবং তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেলো। রাবী বলেন, আমি বললাম, আমরা সবসময় আপনার চেহারায় দুশ্চিন্তার ছাপ লক্ষ করি। তিনি বলেন, আমাদের আহলে বাইতের জন্য আল্লাহ তা’আলা পার্থিব জীবনের পরিবর্তে আখেরাতের জীবনকে পছন্দ করেছেন। আমার আহলে বাইত আমার পরে অচিরেই কঠিন বিপদে লিপ্ত হবে, কষ্টের শিকার হবে এবং দেশান্তরিত হবে। (আরো কথা রয়েছে)
এই আলোচনায় আরো স্পষ্ট হয় যে, নবিজি থেকে আল্লাহ পাক হয়তোবা হাশেমি বংশীয় যুবক বা ইমামে আলী মকাম এবং তাঁর সাথিগণের কুরবানি চেয়েছেন, যা খায়রে কাছিরেরই অংশ এবং একেই আল্লাহ পাক নাহার করার নির্দেশ দিয়েছেন।
৩য় আয়াত: বিদ্বেষপোষণকারী এবং শত্রুদের হুকুম
এখানে আল্লাহ পাক নবিজির ‘শানিয়ুন’গণকে নির্বংশ বলেছেন।
প্রথমে, ‘শানি’ কারা এটা বোঝা দরকার।
‘তাজুল আরুস’ কিতাবের ১ম খণ্ডে বিখ্যাত শব্দতাত্ত্বিক ইমাম মুরতাযা যাবিদী এ ব্যাপারে বিশদ আলোচনা এনেছেন। এখানে দেখা যায় যে, ‘হাসাদ’কেও হিংসা বলে, কিন্তু যাবিদির বক্তব্যের সারনির্যাস হল ‘শিন-আন’ এমন ধরনের হিংসা যা পরম্পরা থেকে পরম্পরায় বাহিত হয়। এই ‘শিন-আন’ থেকে শানিয়াকা ব্যবহার করা হয়েছে এই সূরায়। এখানে নির্দেশিত হিংসুক নিকৃষ্টতম, সর্বাঙ্গীনভাবে সে দূষিত। রাগেব বলেন, সবসময় ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখা — অর্থে ‘শিন-আন’ শব্দ ব্যবহার হয়। সাইয়্যিদুনা ইবনে আব্বাস রা. বলেন, শানিয়াকা অর্থ ‘মুবগিযুকা’ অর্থাৎ হে মাহবুব! তোমার প্রতি ‘বুগয’ বা বিদ্বেষ রাখে এমন ব্যক্তি। তাঁর রা. থেকে আরেকটি তাভীল আছে, যেখানে তিনি বলেছেন, এর অর্থ হল শত্রু। সেক্ষেত্রে এই আয়াতের অর্থ হবে, নিশ্চয়ই হে মাহবুব! আপনার প্রতি বিদ্বেষ রাখে এমন ব্যক্তি ‘আবতার’ তথা লেজকাটা নির্বংশ! আর ইমাম আহমদ, ইমাম নাসায়ী, ইবনে মাজাহ কাযভিনি প্রমুখ বিশুদ্ধভাবে বর্ণনা করেছেন —
و من أبغضَهما فقد أبغضَني
— যে ব্যক্তি তাঁদের দুজনের প্রতি বিদ্বেষ রাখলো, সে মূলত আমাকেই বিদ্বেষ করলো।
এমনকি কুখ্যাত নাসেবি এবং ইমাম হুসাইনের কাতিলের প্রেমী জনাব তাকিউদ্দিন ইবনু তায়মিয়া (ফতোয়া, ৪/৪৮৮) লিখেছেন —
أنَّ مَن أبغض آل البيت فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل الله منه صرفاً ولا عدلاً
— যে ব্যক্তি আলে বায়তের প্রতি বিদ্বেষ রাখবে, তার ওপর আল্লাহ পাক, ফেরেশতাগণ এবং সমগ্র মানবজাতির লানত। তার কোনো ফরজ-নফল কাজে আসবে না।
এবার সবগুলোকে এক করা হোক। এই আয়াত যেন এরকম নির্দেশ করছে: হে মাহবুব! হুসাইনকে বিদ্বেষ এবং শত্রুতাবশত কৃতকর্মের দ্বারা তারা মূলত আপনার সাথেই বিদ্বেষ করেছে এবং এরাই লেজকাটা-নির্বংশ এবং নিকৃষ্টতর জীব।
এ পর্যায়ে আমি মহান শায়খুল ইসলাম নজমুদ্দীন কুবরা রা.-র কিংবদন্তি শাগরিদ শায়খুল আসফিয়া শাহ নজমুদ্দিন কুম্মী রহ.-এর মুবারক কদমে আশ্রয় নিয়েছি। তিনি তাঁর কিতাবে লিখেছেন, যা ‘তাফসিরে গারায়েব’ গ্রন্থে এভাবে উল্লেখ আছে —
والمعنى أنه يعطيه بفاطمة نسلاً يبقون على مر الزمان…
— হে মাহবুব! নিশ্চয়ই আপনাকে আল্লাহ পাক ফাতিমার (আলাইহাস সালাম) মাধ্যমে আপনার মহান বংশকে যুগের শেষ পর্যন্ত (ইমামে আখেরুজ্জামান আ.) জারি রাখবেন। সুতরাং হে পাঠক, তুমি লক্ষ করো, এ পর্যন্ত কতজন আহলে বায়তের সদস্যকে শহিদ করা হয়েছে অথচ এখনো তাঁদের দ্বারা পৃথিবী পরিপূর্ণ! আর অন্যদিকে বনু উমাইয়াকে দেখো, তাদের মধ্যে পৃথিবীতে কেউ উল্লেখযোগ্য অবশিষ্টই নেই। অথচ আহলে বায়তের দিকে তাকালে তুমি দেখবে কতো কতো ওলামা আর আকাবির, যার কোনো সীমানা নেই, গণনাও নেই! তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আল-বাকির, আস-সাদিক, আল-কাযিম, আর-রদ্বি (অর্থাৎ রেযা), আত-তাকি, আন-নাকি এবং আল-যাকির ন্যায় ইমামগণ!
‘রুহুল মাআনী’তেও এটা উল্লেখ আছে, ইনশাআল্লাহ।
ইমাম হুসাইনের কারামত আশ্চর্য! সূরা কাওসার থেকে তাঁর শান খুঁজতে গেলাম, পুরো বারো ইমামই দয়া করলেন।
সুলতানে কারবালা কো, হামারা সালাম হো!
দশই মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি।

