শোহাদায়ে কারবালা
ফোরাতের তীরে—কারবালা হুসাইন আসে ফিরে ফিরেফিরে আসে হুসাইন-ত্যাগ বারবারজালিমের দিন শেষ, ক্ষমা নেই আর। ইয়াজিদ ডুবে গেল পঙ্কিলতায়সত্যের সূর্যও আঁধারে
ফোরাতের তীরে—কারবালা হুসাইন আসে ফিরে ফিরেফিরে আসে হুসাইন-ত্যাগ বারবারজালিমের দিন শেষ, ক্ষমা নেই আর। ইয়াজিদ ডুবে গেল পঙ্কিলতায়সত্যের সূর্যও আঁধারে
কারবালার তপ্ত বালুকারাশি কেবল এক ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডির সাক্ষী নয়, বরং তা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে এক অনন্ত বিপ্লবের সূতিকাগার। আর
উম্মে মাবাদের খালাতো বোন হিন্দের বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন। তিনি বলেন: “একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার তাঁবুতে বিশ্রাম নিয়েছিলেন।
মুখতার সাকাফি তায়েফের বিখ্যাত ও সম্ভ্রান্ত বনু সাকিফ গোত্রের লোক ছিল৷ তার বাবা হজরত আবু উবাইদ রা. একজন সর্বজন সম্মানিত
‘হুসাইন শাসক, সম্রাট হুসাইন ধর্ম হুসাইন, ধর্মের মুক্তিও হুসাইন মস্তক দেবে তবু না দেবে হস্ত ইয়াজিদের হস্তে মোক্ষ নেই আল্লাহ
ইমাম হুসাইন (রা.)ইমাম হুসাইন ইবন আলি (রা.) ছিলেন রাসুলুল্লাহ (সা.) এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র। আহলুল বায়ত তথা নবি পরিবারের অন্যতম সদস্য
ইমাম আলী ইবনে হুসাইন এর উপাধি হলো হযরত যয়নুল আবেদীন। তিনি এ নামেই বেশি প্রসিদ্ধ। তিনি ছিলেন সাহলুল বায়েতের শিক্ষাপ্রকুর,
[এই লেখাটি শহিদে মিহরাব ড. সাঈদ রামাদান আল বুতির ফিকহুস সিরাহ গ্রন্থের একটি অংশের অনুবাদ। আধুনিক সমাজের প্রেক্ষাপটে বইটি অত্যন্ত
এখন আমরা একবিংশ শতাব্দীর জাহেলী যুগে বাস করছি। এ যুগে বহু লোক তাসাউফকে অস্বীকার করছে। এটা তাদের অজ্ঞতাবশত হোক অথবা