মানবসেবায় আব্দুল কাদির জিলানি র. এর আদর্শ
আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য অর্জনের জন্য যুগে যুগে সর্বস্তরের সুফিবৃন্দ যে বিষয়টি অবলম্বন করেছেন, সেটা হলো মানবসেবা। মানবসেবায় তাঁরা অনুসরণীয় আদর্শ
আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য অর্জনের জন্য যুগে যুগে সর্বস্তরের সুফিবৃন্দ যে বিষয়টি অবলম্বন করেছেন, সেটা হলো মানবসেবা। মানবসেবায় তাঁরা অনুসরণীয় আদর্শ
এখনো আশা করি সকলে আমার সাথে একমত হবেন, আমাদের ছোটবেলায় সুফি ছাব বলতে সহজ সরল, নম্র ভদ্র দ্বীনদার একজন মানুষকে
হাদীসে জিবরীল অনুযায়ী দ্বীনের তিনটি মৌলিক দিক হচ্ছে ইমান, ইসলাম ও ইহসান। এই তিনটি থেকে বিকশিত হয়েছে তিনটি বিশেষ ইলম
আল কুরআন‘আপনি বলুন। পার্থিব ভোগ সামান্য। আর যে তাকওয়া অবলম্বন করে, তার জন্য আখিরাতই উত্তম।’ (সূরা নিসা: ৭৭)”নিশ্চয়ই যারা আমার
কারবালার যুদ্ধ নিছক সাধারণ কোনো যুদ্ধ ছিল না, ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও কোনো সাধারণ সেনাপতি ছিলেন না। তাঁর শাহাদাতও গতানুগতিক
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার জন্য, যিনি তাঁর প্রিয় বান্দাদেরকে তাঁর প্রেমে ধন্য করেছেন। অসংখ্য দরুদ ও সালাম আল্লাহর ভালোবাসায় ধন্য
বহুল প্রচলিত সূফী তরীকাগুলোর মধ্যে কাদিরিয়া তরীকা অন্যতম। এই তরীকার প্রতিষ্ঠাতা গাউসুল আযম বড়পীর হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (র.)। বাগদাদের