সুফি চেতনায় ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও কারবালার প্রভাব

কারবালার যুদ্ধ নিছক সাধারণ কোনো যুদ্ধ ছিল না, ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও কোনো সাধারণ সেনাপতি ছিলেন না। তাঁর শাহাদাতও গতানুগতিক কোনো আত্মত্যাগ ছিল না। এর ফলাফলও সাধারণ কোনো যুদ্ধের জয়-পরাজয়ের মতো ছিল না। কারবালা ছিল হক-বাতিল, তাওহিদ-শিরকের চিরন্তন লড়াইয়ের প্রতিরূপ। ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন হকের পক্ষে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উত্তরসুরী। জান-মাল-পরিবার-পরিজন সবকিছু আল্লাহর কাছে সমর্পণ করার প্রতিরূপ ছিল তাঁর শাহাদত। এজন্য যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি শহিদ হয়েও বিজয়ী। তাঁর শাহাদতের মধ্য দিয়ে ইসলামই বাতিলের বিরুদ্ধে অমর জীবন আর চূড়ান্ত জয় লাভ করেছে। একইসাথে ইয়াযিদ আর ইয়াযিদের প্রতিরূপ বাতিল চূড়ান্ত পরাজয় বরণ করেছে। এজন্য মাওলানা মুহাম্মদ আলি জাওহার বলেছিলেন,

قتل حسین اصل میں مرگ یزید ہے

اسلام زندہ ہوتا ہے ہر کربلا کے بعد

‘হুসাইনের হত্যা আসলে ইয়াযিদের মৃত্যু

প্রত্যেক কারবালার পরে ইসলাম আসলে জীবন লাভ করে।’

সুফি সাধকদের চেতনায় ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর এই অতুলনীয় আত্মত্যাগের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। ইমাম ‍হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে তাঁরা সুফি চেতনা, সুফি শিক্ষা আর সুফি সাধনার ভিত্তি গ্রহণ করেছেন। যেমন খাজা মুঈনুদ্দিন চিশতি আজমিরি রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

شاه است حسین پادشاه است حسین

دین است حسین دین پناه است حسین

سر داد و نداد دست در دست یزید

حقا که بنای لا اله است حسین

‘হুসাইন শাহ, হুসাইন বাদশাহ, দ্বীন হুসাইন, দ্বীনের আশ্রয়ও হুসাইন। শির দিয়েছেন তবু- ইয়াযিদের হাতে রাখেননি হাত। সত্যই তিনিই লা-ইলাহার ভিত্তি হুসাইন।’

হুসাইন বাদশাহ। কারণ তিনি শাহাদাতের সর্বোচ্চ মাকাম লাভ করে আল্লাহর কাছে এমন রাজত্বের অধিকারী হয়েছেন, যার কোনো ক্ষয় নেই। ইতোপূর্বে যারা হকের ঝাণ্ডা উন্নীত রাখার জন্য আল্লাহর রাহে প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ কোনোভাবে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। এমনকি অসংখ্য নবিও মুশরিকদের মোকাবেলায় শহিদ হয়েছেন। কিন্তু খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি রাহিমাহুল্লাহর আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছেন, ইমাম হুসাইনের এই শাহাদাতের সাথে পূর্বের কোনো কিছুর আর তুলনা চলে না। সপরিবারে এভাবে আত্মত্যাগের নজির আর দ্বিতীয়টি নেই এবং আসবেও না। তিনি বলছেন,

کارى که‌ حسین اختیارى کردى

در گلشن‌ مصطفى بهارى کردى

از هیچ‌ پیمبرى نیاید این‌ کار

والله‌ که‌ اى حسین کارى کردى

’হুসাইন যে কাজ করেছেন, তাতে বসন্ত এসেছে মুসতফার ফুলবাগানে। আল্লাহর কসম! হুসাইন যা করেছেন, কোনো পয়গম্বরও এমন কীর্তি গড়েননি।’

এজন্যই হুসাইন বাদশাহ, হুসাইন শাহানশাহ। কিন্তু তিনি দ্বীন ইসলামের ভিত্তি কেন? এই জবাব আমরা আল্লামা ইকবালের জবানিতেই শুনে নিতে পারি। তিনি বলেন,

بهر حق در خاك و خون غلتيده است پس بناى لا إلَه گرديده است

‘হকের জন্যই তিনি ধুলোয় ধূসরিত, রক্তে রঞ্জিত। এজন্যই তিনি লা-ইলাহা (ইল্লাল্লাহ) এর ভিত্তিতে পরিণত হয়েছেন।’

দ্বীন ইসলামের মূলকথা তাওহিদ। যুগে যুগে সকল নবি-রাসুল তাওহিদের শিক্ষাই মানবজাতিকে দিয়ে এসেছেন। তাওহিদে খুলুসিয়্যত অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করাই সুফিদের মূল লক্ষ্য। এই তাওহিদ আল্লাহ ছাড়া আর কারও সামনে মাথা নত করা শেখায় না। আল্লাহর বিধান ছাড়া অন্য কোনো বিধান মেনে নেয় না। আল্লাহর হুকুমত ছাড়া আর কারও হুকুমত বরদাশত করে না। এজন্যই ইমাম হুসাইন নিজের শির দিয়েছেন, কিন্তু ইয়াযিদের হাতে হাত রাখেননি। তার সাথে আপোস করেননি। ঐদিক তিনি যদি আপোস করতেন, তাহলে বাতিলের সাথে হকের আপোস করার যে নজির স্থাপিত হতো, তাতে দ্বীন ইসলামের শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্থ হতো। এজন্যই তিনি তাওহিদের ভিত্তি, দ্বীনের ভিত্তি।

ইমাম হুসাইনের আরেকটি আদর্শ হলো সত্যের অনুসারী হওয়া এবং প্রয়োজনে তরবারি হাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে সত্যকে সমুন্নত রাখা। সুফিগণ তাঁর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে যুগে যুগে অসংখ্য বার বাতিলের বিরুদ্ধে অসম যুদ্ধে প্রাণ বাজি রেখে অবতীর্ণ হয়েছেন। খানকার শান্ত আঙিনা থেকে কোষমুক্ত তরবারী নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন। পাগড়ি আর জায়নামাজের অবয়বে প্রশান্ত যে সুফি, তাঁকেই দেখা গেছে অমিততেজ মুজাহিদ হিসেবে যুদ্ধের ময়দানে হাজির হয়েছেন। ইমাম হুসাইনের এই আদর্শ হযরত শাহজালাল থেকে শুরু করে বাবা আদম শহীদের ক্ষেত্রে যেমন সত্য, তেমনি আলজেরিয়ার আমির আব্দুল কাদির আল জাযায়েরি থেকে দাগেস্তানের ইমাম শামিলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বিশিষ্ট সুফি সাধক ইমাম আলি হুজভিরি তাঁর কাশফুল মাহজুব গ্রন্থে এ বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘তিনি (হুসাইন রা.) কারবালার শহিদ এবং সুফিরা একমত যে, তিনিই সঠিক পথে ছিলেন। যতদিন সত্য স্পষ্ট ছিল, তিনি তার অনুসরণ করেছেন। কিন্তু যখনই তা লুপ্ত হয়েছে, তিনি তরবারী কোষমুক্ত করেছেন এবং আল্লাহর রাহে নিজের প্রিয় প্রাণকে উৎসর্গ না করা তক ক্ষান্ত হননি।’ (কাশফুল মাহজুব, দর বয়ানে আহওয়ালে আউলিয়ায়ে এলাহি)

সিন্ধের বিশিষ্ট সুফি কবি শাহ আব্দুল লতিফ ভিটাই তাঁর সুর কেদারো গ্রন্থে ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর এই সত্যের জন্য লড়াইয়ের দিকে সিন্ধের জনগোষ্ঠীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সিন্ধ প্রদেশে অত্যাচারী শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে বলেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘কারবালায় শাহদাতের এই কষ্ট ছিল সবই তাঁদের ঐশী ভালোবাসার প্রকাশ (নাজ)। কারবালার রহস্যের মর্মার্থ (আল্লাহর ভালোবাসায়) উন্মত্ত কেউ কেউ হয়তো বুঝতে পারবে…।’

আল্লাহর প্রতি এই ভালোবাসা সুফিদের সাধনার অন্যতম ভিত্তি। ভালোবাসার হাত ধরে আছে বিচ্ছেদের যন্ত্রণা। আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্যে ‘বালা’ বলা অর্থাৎ ‘আমি কি তোমাদের প্রভূ নই এর জবাবে হ্যাঁ বলা এবং এর পরে বিচ্ছেদের যন্ত্রণা তাদের তাড়িয়ে বেড়ায়। তাই মৃত্যুকে এবং বিশেষভাবে সেটা যদি হয় শাহাদাতের মৃত্যু, তবে সেটাকে তারা বিরাট এক প্রাপ্তির উপলক্ষ্য হিসেবে উদযাপন করেন। হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদতকে তারা দেখেন নফসে আমমারা থেকে উত্তীর্ণ হয়ে আল্লাহর প্রেমে ফানা হওয়া পূর্বক অনন্ত জীবন লাভের মাধ্যমে বাকা বিল্লাহর মাকাম লাভ করা। এমন অর্থ প্রকাশক একটি লাইন খাজা কুতবুদ্দিন বখতিয়ার কাকি রাহিমাহুল্লাহর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কাওয়ালেরা তাঁর সামনে গেয়েছিল:

کشتگان خنجر تسلیم را هر زمان از غیب جان دیگریست

‘আল্লাহর ফয়সালায় সমর্পনের খঞ্জরে যে নিহত হলো, গাইব থেকে প্রতি মুহূর্তে সে নবজীবন প্রাপ্ত হচ্ছে।’

বিশিষ্ট জার্মান প্রাচ্যবিদ আনমেরি শিমেল অসংখ্য ‍উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছেন, আল্লাহর জন্য কষ্ট স্বীকার এবং তাঁর ভালোবাসায় তাঁর জন্য আত্মত্যাগ ইত্যাদি সুফিগণ হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর মধ্যে খুঁজে পান। এজন্য তিনি তাঁদের আদর্শ। অবশ্য আত্মত্যাগের এই প্রশ্নে হুসাইন ইবন মানসুর আল হাল্লাজও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেন। এজন্য ফরিদুদ্দীন আত্তার তাঁর দিওয়ানে বলেছেন, ‘হয় হুসাইন নয়তো মনসুর হও।’

গালিব তাঁর একটি গযলে বলেছেন, ‘হুসাইন এবং মানসুর হাল্লাজের মতো ঐশী প্রেমিকদেরকে আল্লাহ ফাঁসিকাষ্ট আর দড়ির স্থানে রাখেন এবং হুসাইন ইবন আলীর মতো যারা মুজাহিদ, তাঁদের রাখেন তরবারী আর বর্শা নিক্ষেপের জায়গায়। ফলে তাঁরা শহিদ হয়ে অনন্ত জীবন আর সুখ লাভ করেন এবং আল্লাহর কুদরতের সাক্ষী হন।’

বিশিষ্ট সুফি কবি হাকিম সানাঈর দিওয়ানের প্রধান চরিত্র ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। দুদিক থেকে তিনি তাঁকে সুফিদের আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। প্রথমত সালিককে কঠোর সাধনা ও তীব্র যন্ত্রণাভোগের মাধ্যমে কামালিয়্যতের স্তরে পৌঁছাতে হবে। দ্বিতীয়ত প্রকৃত ওলি তাঁরাই, যাদের নিজেদের নফস মৃত্যুবরণ করেছে। সুফিরা নফসের সাথে জিহাদকে জিহাদে আকবর বলে থাকেন। সেদিকে ইশারা করেই সানাঈ দিওয়ানের এক স্থানে ইমাম হুসাইনকে বড় জিহাদের কুরবানী বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দিওয়ানে বলেছেন, ‘যদি তুমি হুসাইন হও, তাহলে তুমি নববধূর মুখের সৌন্দর্য দেখবে না, দেখবে ছোরা আর তীর।’ দিওয়ানের অন্যত্র তিনি বলেছেন, ‘সানাঈ তুমি নিজেই তো এখনও নফস থেকে বিচ্ছিন্ন হওনি। তাহলে হুসাইনের ঘটনা তুমি কীভাবে বলো?’

নফসের কুরিপুগুলো দমনের ক্ষেত্রেও ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু প্রাসঙ্গিক। তিনি প্রাণের মায়া, আরাম-আয়েশে বেঁচে থাকার আশা, পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে জীবন কাটানোর আশা-সবকিছু আল্লাহর জন্য ত্যাগ করেছেন। অন্যদিকে ইয়াযিদ-শিমরের বাহিনী পার্থিব লোভে সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ করতেও দ্বিধা করেনি। হাকিম সানাঈ বলেন, ‘তোমার দ্বীন হুসাইন। যেখানে লোভ আর আশা হলো শুকর আর কুকুর। এরপরও তুমি প্রথমজনকে তৃষ্ণার্ত করে হত্যা করো আর পরের দুজনকে খাওয়াও। নিকৃষ্ট ইয়াযিদ আর শিমরকে তুমি কীভাবে লানত দাও? তোমার নিজের হুসাইনের জন্য তুমি নিজেই তো ইয়াযিদ আর শিমর।’

আনমেরি শিমেল এর ব্যাখ্যা করেছেন। এর অর্থ হলো, মানুষ এত নিম্নস্তরে নেমে গেছে যে, সে কেবলই নিজের স্বার্থচিন্তা করছে এবং পার্থিব অর্জনের আশায় সবকিছু করছে। অথচ তার ধর্ম আর তার জীবনের আধ্যাত্মিক দিকটি অপুষ্টি আর অবহেলার শিকার। কারবালার ময়দানেও ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সহযোদ্ধাদের নিয়ে শহীদ হয়েছিলেন, কেউ তাঁদের সামান্য পানি দেয়ার জন্যও এগিয়ে আসেনি।

দ্বীনের পথ অত্যন্ত বন্ধুর, কষ্ট ছাড়া সফলতা লাভও দুরাশা। কারবালার ঘটনা এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। এ প্রসঙ্গে সানাঈ বলেন, ‘আনন্দ থেকে বিমুখ না হওয়া পর্যন্ত সুফিরা মুসতফার গালিচায় স্থান পাবে না। দ্বীনের পথে আনন্দ কীভাবে থাকতে পারে, যেখানে রাজত্বের জন্য হুসাইনের গলদেশে রক্ত প্রবাহিত হয়!’

এসব দিক ছাড়াও রিদা (আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্টি), তাসলিম (আল্লাহর ফয়সালায় সমর্পন), মাহাব্বাহ (ঐশী ভালোবাসা), সাবর (ধৈর্য), ফুতুওয়্যাহ (মহানুভবতা), জুদ ওয়াস সাখা (ঔদার্য ও দানশীলতা), আত্মমর্যাদাবোধ (গায়রাহ), দুনিয়াবিমুখতা (যুহদ), পরহেজগারিতা (ওয়ারা), আল্লাহর উপর নির্ভরতা (তাওয়াক্কুল), একনিষ্ঠতা (ইখলাস), দৃঢ়তা (ইসতিকামা), স্বাধীনতা (হুররিয়্যাহ), দাসত্ব (উবুদিয়্যাহ), আল্লাহর সাথে বন্ধুত্ব (বিলায়াহ) ইত্যাদি সহ আধ্যাত্মিক পথ পরিক্রমার প্রতিটি মাকাম ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জীবনে ভাস্কর হয়ে আছে। এজন্য সুফি চেতনায় ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আদর্শ মুর্শিদ হয়ে আছেন, চিরকাল ধরে তাই থাকবেন। তাঁর শিক্ষাই যুগ যুগ ধরে সুফিসহ বিশ্বের সমস্ত মুসলিমকে হিদায়েতের দিশা যোগাবে। আল্লামা ইকবালের এই কথা প্রত্যেক প্রজ্ঞাবান মানুষের ক্ষেত্রেই সত্য:

رمـــز قــرآن از حسین آموختیــم ز آتش او شـــعله هــا افروختیم

‘কুরআনের রহস্য আমি শিখেছি হুসাইনের কাছ থেকে, তাঁর আগুনে আমি পুড়েছি একটি শিখার মতো।’

আব্দুল্লাহ যোবায়ের
আব্দুল্লাহ যোবায়ের
+ posts

আব্দুল্লাহ যোবায়ের তাসাউফ নিয়ে লেখালেখি করেন। এ পর্যন্ত তাঁর বেশ কিছু অনুবাদগ্রন্থ বের হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে ইমাম আবুল কাসিম ‍কুশায়রি রচিত আর রিসালাতুল কুশায়রিয়্যা ও শায়খ আবু আব্দুর রহমান সুলামি রচিত নারী সূফীদের জীবনকথা উল্লেখযোগ্য। তিনি সওতুল মদীনা সম্পাদনার সাথে যুক্ত। বর্তমানে তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি আমেরিকার স্টোনি ব্রুক য়ুনিভার্সিটিতে মাস্টার্সে অধ্যয়ন করছেন।

1 thought on “সুফি চেতনায় ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও কারবালার প্রভাব”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top