কুতুবকুলের শ্রেষ্ঠ হে যিলানী আব্দুল কাদির!
পরম সৌভাগ্য মোর, মহাপ্রাপ্তি, বুলন্দ কিস্মাত
তোমার সিল্সিলা ভুক্ত করেছেন আল্লা’পাকজাত।
হীনাতীত হীন আমি তোমার মর্যাদা মহিমার
কী নান্দী গাহিব আর অনন্ত যে সেই পারাবার!
তুমি নিজ পরিচয় দিয়েছ যা তার মাত্র কিছু
করি শুধু নিবেদন সবিনয়ে করে শির নীচু।
বলেছ : “আব্দুল কাদির হলো, নামটি আমার
নানা মোর রাসূলুল্লা’ উৎস যিনি সব পূর্ণতার।
মুস্দা নিবাস মোর হাসানের আমি বংশধর
আমার কদম সব ওলীদের গ্রীবার উপর।
অধিবাসী যিলানের উপনাম মহীউদ্দীন
উচ্চতর গিরিশৃঙ্গে বৈজয়ন্তী আমার উড্ডীন”।
বলেছ “ রহস্য মোর নিক্ষেপিলে সমুদ্র-উদ্দেশ
অথৈ সলিল তার হয়ে যাবে নিমিষে নিঃশেষ”।
বলেছ : “ রহস্য মোর নিক্ষেপিলে গিরির চূড়ায়
চূর্ণ-বিচূর্ণ হবে মিশে যাবে পর্বত ধূলায়”।
বলেছ : “ রহস্য মোর অগ্নিকুÐে করিলে ক্ষেপণ
অনল সলিল হবে নির্বাপিত হয়ে হুতাশন”।
বলিয়াছ : “ মুর্দা-লাশে নিক্ষেপিলে রহস্য আমার
আসিবে সে যিন্দা হয়ে কাছে মোর, হুকুমে আল্লার”।
বলেছ : “ ফিরালে দৃষ্টি মিলনের মৌতাত-নজরে
সরিষা দানার মত দেখি আমি বিশ্ব-চরাচরে”।
বলিয়াছ : “ ভয় নাই, ভয় নাই, মুরীদ আমার”
তব এ অভয় বাণী সঞ্জিবণী আমার আত্মার।
বলিয়াছ : “ হে মুরীদ নিন্দা-বাক্য তুলিওনা কানে
দৃঢ়পদ-যোদ্ধা আমি হত্যাকারী যুদ্ধের ময়দানে”।
হে মুর্শিদ! তব নান্দী মর্যাদা ও মহিমা-গৌরব
গীত হবে চিরকাল ছড়াইবে কস্তূরী-সৌরভ।
দরবারে আরয করি আমি এই মুরীদ অধম
হাশরে মদদ কোরো হে মুর্শিদ গাউসুল আযম।
[গাউসুল আযম বড়পীর হযরত আবদুল কাদির যিলানী রহ. Ñএর কাসীদায়ে গাউসুল আযম অবলম্বনে।]

